ভৈরব রেল সেতু
- বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম একক রেলসেতু মেঘনা নদীর উপর নির্মিত।
- সংযোগ- কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরববাজার এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আশুগঞ্জকে সংযুক্ত করেছে।
লালন শাহ সেতু
- পদ্মা নদীর ওপর নির্মিত বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সেতু।
- অবস্থিত- কুষ্টিয়া জেলার ভেড়ামারা এবং পাবনা জেলার পাকশি পয়েন্টে।
- দৈর্ঘ্য- ১.৮ কি.মি।
খান জাহান আলী (রঃ) সেতু
- রূপসা নদীর ওপর নির্মিত একটি সেতু।
- এটি রূপসা ব্রিজ নামেও পরিচিত।
- সংযোগ: খুলনা ও বাগেরহাট এর মাঝে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করে।
শেখ হাসিনা তিতাস সেতু
- দেশের প্রথম Y আকৃতির সেতু তিতাস নদী উপর নির্মিত ।
বাংলাদেশ ভারত মৈত্রী সেতু-১
- দৈর্ঘ্য: ১.৯ কিলোমিটার।
- অবস্থান: ফেনী নদীর উপর।
- উদ্বোধন: ৯ মার্চ, ২০২১ (নরেন্দ্র মোদী কর্তৃক)।
- সংযোগ: ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের ও বাংলাদেশের খাগড়াছড়ি জেলার সরাসরি সংযোগ।
জেনে নিই
- ক্বীন ব্রিজ অবস্থিত- সিলেট জেলার সুরমা নদীর উপর।
- কর্ণফুলী নদীর উপর নির্মিত সেতুর নাম শাহ আমানত সেতু ।
- গাবখান সেতু অবস্থিত- ঝালকাঠি জেলার গাবখান নদীর উপর।
- মজনু শাহ সেতু অবস্থিত- গাজীপুরের কাপাসিয়ার শীতলক্ষ্যা নদীর উপর।
- হাজী শরীয়ত উল্লাহ সেতু কোন নদীর উপর নির্মিত - আড়িয়াল খাঁ (মাদারীপুর)।
- ঝুলন্ত সেতু কোন নদীর উপর নির্মিত কাপ্তাই হ্রদ (রাঙ্গামাটি)।
- শাহ আমানত সেতু কোন নদীর উপর নির্মিত- কর্ণফুলী (চট্টগ্রাম)।
- শেখ হাসিনা ধরলা সেতু কোন নদীর উপর নির্মিত- ধরলা (কুড়িগ্রাম লালমনিরহাট)।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
২৩ জুন, ২০২২
২৫ জুন, ২০২২
২৭ জুন, ২০২২
২৮ জুন, ২০২২
- বঙ্গবন্ধু সেতু ১৯৯৮ সালের জুনে উন্মুক্ত করা হয়।
- এই সেতুর যমুনা নদীর পূর্ব পাড়ের ভুয়াপুর এবং পশ্চিম পাড়ে সিরাজগঞ্জকে সংযুক্ত করেছে।
- এটি ১৯৯৮ সালে নির্মাণকালীন সময়ে পৃথিবীর ১১তম বৃহত্তম সেতু এবং বর্তমানে এটি দক্ষিণ এশিয়ার ৬ষ্ঠ বৃহত্তম সেতু।
- এটি যমুনা নদীর উপর দিয়ে নির্মিত যা বাংলাদেশের প্রধান তিনটি সেতুর একটি এবং পানি প্রবাহের উপর ভিত্তি করে বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
৪ কি.মি.
৪.৩ কি.মি.
৪.৬ কি.মি.
৪.৮ কি.মি.
- পদ্মা সেতু বিশ্বের দীর্ঘতম ট্রাস (Truss ) সেতু ।
- দৈর্ঘ্যঃ ৬.১৫ কি.মি আর ডায়াডাক্ট- ৩.১৮ কি.মি।
- মোট পিলার সংখ্যাঃ ৪২টি।
- ভূমিকম্পন সহনশীলঃ ৯ মাত্রা।
- সর্বশেষ ৪১তম স্প্যান বসানো হয়ঃ ১০ ডিসেম্বর ২০২০ সালে ।
- রেল সংযোগ লাইনঃ ১টি (মিটারগেজ: ব্রডগেজ)
- সড়ক সেতুতে লেন সংখ্যা ৪টি ।
- নদী শাসন ১২ কি.মি ।
- মোট ব্যয়ঃ ৩০ হাজার ১৯৩.৩৯ কোটি টাকা।
- মুন্সিগঞ্জ-শরীয়তপুর-মাদারীপুর ৩টি জেলার উপর নির্মিত দেশের বৃহত্তম সেতু।
- মাওয়া (মুন্সিগঞ্জ) সাথে জাজিরা (শরীয়তপুর) বাংলাদেশের উত্তর- দক্ষিণ প্রান্তকে যুক্ত করবে।
- সংযোগ করেছেঃ দক্ষিণাঞ্চলের ২১টি জেলাকে।
- আয়ুষ্কালঃ ১০০ বছর।
- পরিচালনা করছেঃ সেতু বিভাগ, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় ।
- তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সেতুর ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেঃ ৪ জুলাই, ২০০১ সালে।
- পদ্মা সেতু উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২৫ জুন, ২০২২ সালে।
- বিশ্বে বৃহত্তম সড়ক সেতুর তালিকায় পদ্মা সেতুঃ ২৫তম।
- পদ্মা সেতু দক্ষিণ এশিয়ায় ৬ষ্ঠ।
- পদ্মা সেতু দিয়ে ঢাকা - যশোর রেলপথের দৈর্ঘ্য হবেঃ ১৬৯ কি.মি ।
- সেতু নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান মূল সেতু - চায়না রেলওয়ে মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন ।
- নদী শাসন- সিনো হাইড্রো করপোরেশন লিমিটেড।
প্রস্তাবিত দ্বিতীয় পদ্মা সেতু
- প্রস্তাবিত দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মাণ |
- পাটুরিয়া- গোয়ালন্দ পয়েন্টে।
- সংযোগ- পাটুরিয়া (মানিকগঞ্জ) ও গায়ালন্দ (রাজবাড়ি) জেলাকে।
- দৈর্ঘ্য- ৬.১০ কি.মি।
- প্রস্থ- ১৮.১০ মিটার।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
⮚ যমুনা বহুমুখী সেতু :
যমুনা বহুমুখী সেতু বাংলাদেশের যমুনা নদীর উপরে অবস্থিত একটি সড়ক ও রেল সেতু। ৪.৮ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য বিশিষ্ট এই সেতুটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় দীর্ঘতম সেতু। ১৯৯৮ সালে এর নির্মাণ কাজ শেষ হয়। পরবর্তীতে এই সেতুর নামকরণ করা হয় বঙ্গবন্ধু সেতু যেটা ৫ আগস্ট ২০২৪ পরবর্তী যমুনা বহুমুখী সেতু নামকরণে ফেরত যাওয়া হয়। অতঃপর ২০২৫ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি বঙ্গবন্ধু সেতুর নাম পরিবর্তন করে যমুনা সেতু করে প্রজ্ঞাপন জারি করে সেতু বিভাগ। যমুনা সেতু স্থাপনের জন্য প্রথম উদ্যোগ নেয়া হয় ১৯৪৯ সালে। ১৯৯৪ সালের ১৫ অক্টোবর এর কাজ শুরু হয় এবং ১৯৯৮ সালের ২৩ জুন যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। সেতুটির পাশেই যমুনা রেল সেতুর নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ায় ২০২৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি থেকে যমুনা বহুমুখী সেতু রেলপথ দিয়ে ট্রেন চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়।
যমুনা বহুমুখী সেতু দিয়ে উত্তরাঞ্চলের সাথে ঢাকা সরাসরি ট্রেন সার্ভিস চালু হয়। ট্রেনটির নাম সিল্ক সিটি।
১৯৯৮ সালে যান চলাচল শুরু হয়।
বঙ্গবন্ধু সেতুর দৈর্ঘ্য - ৪.৮০ কি.মি.
বঙ্গবন্ধু সেতুর পিলারের সংখ্যা - ৫০টি
বঙ্গবন্ধু সেতুর লেনের সংখ্যা - ৪টি
নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান : হুন্দাই ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড কনস্ট্রাকশন কোম্পানি (দ. কোরিয়া)
অবস্থান : টাঙ্গাইল-সিরাজগঞ্জ
উদ্বোধন : ২৩ মার্চ, ১৯৯৮, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
বৈশিষ্ট্য : গ্যাসলাইন, টেলিযোগাযোগ লাইন, বিদ্যুৎলাইন এবং রেল লাইন আছে।
রেলপথ : বঙ্গবন্ধু সেতুতে মিটার গেজ, ব্রডগেজ (মিশ্রগেজ) রেলপথ আছে। যমুনা বহুমুখী সেতুর উপর দিয়ে ঢাকা-রাজশাহী রেল চলাচল শুরু হয় ১৪ আগস্ট, ২০০৩।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
- বাংলাদেশের বৃহত্তম একক, রেলসেতু
- অবস্থিতঃ পাবনা জেলায় পদ্মা নদীর উপর।
- দৈর্ঘ্য ১.৮ কি.মি।
- নির্মাণকাল ১৯১০-১৯১২ খ্রিষ্টাব্দ।
- উদ্বোধন- ১৯১৫ সালে লর্ড হার্ডিঞ্জ সেতুটির উদ্বোধন করেন।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
Read more